Skip to main content

Posts

Coat of Many Colors

Back through the years I go wonderin once again Back to the seasons of my youth I recall a box of rags that someone gave us And how my momma put the rags to use There were rags of many colors Every piece was small And I didn't have a coat And it was way down in the fall Momma sewed the rags together Sewin every piece with love She made my coat of many colors That I was so proud of As she sewed, she told a story From the bible, she had read About a coat of many colors Joseph wore and then she said Perhaps this coat will bring you Good luck and happiness And I just couldnt wait to wear it And momma blessed it with a kiss Chorus: My coat of many colors That my momma made for me Made only from rags But I wore it so proudly Although we had no money I was rich as I could be In my coat of many colors My momma made for me So with patches on my britches Holes in both my shoes In my coat of many colors I hurried off to school Just to find the others laugh...

আধেক ঘুমে

আধেক ঘুমে নয়ন চুমে স্বপন দিয়ে যায়। শ্রান্ত ভালে যূথীর মালে পরশে মৃদু বায়॥ বনের ছায়া মনের সাথি, বাসনা নাহি কিছু- পথের ধারে আসন পাতি, না চাহি ফিরে পিছু- বেণুর পাতা মিশায় গাথা নীরব ভাবনায়॥ মেঘের খেলা গগনতটে অলস লিপি-লিখা, সুদূর কোন্‌ স্ময়ণপটে জাগিল মরীচিকা। চৈত্রদিনে তপ্ত বেলা তৃণ-আঁচল পেতে শূন্যতলে গন্ধ-ভেলা ভাসায় বাতাসেতে- কপোত ডাকে মধুকশাখে বিজন বেদনায়॥

Long Nights

Have no fear For when I'm alone I'll be better off than I was before I've got this light I'll be around to grow Who I was before I cannot recall Long nights allow me to feel... I'm falling...I am falling The lights go out Let me feel I'm falling I am falling safely to the ground Ah... I'll take this soul that's inside me now Like a brand new friend I'll forever know I've got this light And the will to show I will always be better than before Long nights allow me to feel... I'm falling...I am falling The lights go out Let me feel I'm falling I am falling safely to the ground

নবীন

ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা। রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরে আজকে যে যা বলে বলুক তোরে, সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ ক'রে পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা। আয় দুরন্ত, আয় রে আমার কাঁচা। খাঁচাখানা দুলছে মৃদু হাওয়ায়; আর তো কিছুই নড়ে না রে ওদের ঘরে, ওদের ঘরের দাওয়ায়। ওই যে প্রবীণ, ওই যে পরম পাকা, চক্ষুকর্ণ দুইটি ডানায় ঢাকা, ঝিমায় যেন চিত্রপটে আঁকা অন্ধকারে বন্ধ করা খাঁচায়। আয় জীবন্ত, আয় রে আমার কাঁচা। বাহিরপানে তাকায় না যে কেউ, দেখে না যে বাণ ডেকেছে জোয়ার-জলে উঠছে প্রবল ঢেউ। চলতে ওরা চায় না মাটির ছেলে মাটির 'পরে চরণ ফেলে ফেলে, আছে অচল আসনখানা মেলে যে যার আপন উচ্চ বাঁশের মাচায়, আয় অশান্ত, আয় রে আমার কাঁচা। তোরে হেথায় করবে সবাই মানা। হঠাৎ আলো দেখবে যখন ভাববে এ কী বিষম কাণ্ডখানা। সংঘাতে তোর উঠবে ওরা রেগে, শয়ন ছেড়ে আসবে ছুটে বেগে, সেই সুযোগে ঘুমের থেকে জেগে লাগবে লড়াই মিথ্যা এবং সাঁচায়। আয় প্রচণ্ড, আয় রে আমার কাঁচা। শিকল-দেবীর ওই যে পূজাবেদী চিরকাল কি রইবে খাড়া। পাগলামি তুই আয় রে দুয়ার ভেদি। ...

তুমি কি কেবল ছবি

তুমি কি কেবল ছবি শুধু পটে লিখা। ওই যে সুদূর নীহারিকা যারা করে আছে ভিড় আকাশের নীড়; ওই যে যারা দিনরাত্রি আলো-হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী গ্রহ তারা রবি তুমি কি তাদেরি মতো সত্য নও। হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি। চিরচঞ্চলের মাঝে তুমি কেন শান্ত হয়ে রও। পথিকের সঙ্গ লও ওগো পথহীন। কেন রাত্রিদিন সকলের মাঝে থেকে সবা হতে আছ এত দূরে স্থিরতার চির অন্তঃপুরে। এই ধূলি ধূসর অঞ্চল তুলি বায়ুভরে ধায় দিকে দিকে; বৈশাখে সে বিধবার আভরণ খুলি তপস্বিনী ধরণীরে সাজায় গৈরিকে; অঙ্গে তার পত্রলিখা দেয় লিখে বসন্তের মিলন-উষায়, এই ধূলি এও সত্য হায়; এই তৃণ বিশ্বের চরণতলে লীন এরা যে অস্থির, তাই এরা সত্য সবি-- তুমি স্থির, তুমি ছবি, তুমি শুধু ছবি। একদিন এই পথে চলেছিলে আমাদের পাশে। বক্ষ তব দুলিত নিশ্বাসে; অঙ্গে অঙ্গে প্রাণ তব কত গানে কত নাচে রচিয়াছে আপনার ছন্দ নব নব বিশ্বতালে রেখে তাল; সে যে আজ হল কত কাল। এ জীবনে আমার ভুবনে কত সত্য ছিলে। মোর চক্ষে এ নিখিলে দিকে দিকে তুমিই লিখিলে রূপের তুলিকা ধরি রসের মুরতি। সে-প্রভাতে তুমিই তো ছিলে এ-বিশ্বের বাণী মূর্তিমতী। একসাথে পথে যেতে যে...

তোমরা ও আমরা

তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও কুলুকুলুকল নদীর স্রোতের মতো। আমরা তীরেতে দাঁড়ায়ে চাহিয়া থাকি, মরমে গুমরি মরিছে কামনা কত। আপনা-আপনি কানাকানি কর সুখে, কৌতুকছটা উছসিছে চোখে মুখে, কমলচরণ পড়িছে ধরণী-মাঝে, কনকনূপুর রিনিকি ঝিনিকি বাঝে। অঙ্গে অঙ্গ বাঁধিছে রঙ্গপাশে, বাহুতে বাহুতে জড়িত ললিত লতা। ইঙ্গিতরসে ধ্বনিয়া উঠিছে হাসি, নয়নে নয়নে বহিছে গোপন কথা। আঁখি নত করি একেলা গাঁথিছ ফুল, মুকুর লইয়া যতনে বাঁধিছ চুল। গোপন হৃদয়ে আপনি করিছ খেলা, কী কথা ভাবিছ, কেমন কাটিছে বেলা। চকিতে পলকে অলক উড়িয়া পড়ে, ঈষৎ হেলিয়া আঁচল মেলিয়া যাও-- নিমেষ ফেলিতে আঁখি না মেলিতে,ত্বরা নয়নের আড়ে না জানি কাহারে চাও। যৌবনরাশি টুটিতে লুটিতে চায়, বসনে শাসনে বাঁধিয়া রেখেছ তায়। তবু শতবার শতধা হইয়া ফুটে, চলিতে ফিরিতে ঝলকি চলকি উঠে। আমরা মূর্খ কহিতে জানি নে কথা, কী কথা বলিতে কী কথা বলিয়া ফেলি। অসময়ে গিয়ে লয়ে আপনার মন, পদতলে দিয়ে চেয়ে থাকি আঁখি মেলি। তোমরা দেখিয়া চুপি চুপি কথা কও, সখীতে সখীতে হাসিয়া অধীর হও, বসন-আঁচল বুকেতে টানিয়া লয়ে হেসে চলে যাও আশার অতীত হয়ে। আ...

দুয়োরানী

ইচ্ছে করে মা, যদি তুই হতিস দুয়োরানী! ছেড়ে দিতে এমনি কি ভয় তোমার এ ঘরখানি। ঐখানে ঐ পুকুরপারে জিয়ল গাছের বেড়ার ধারে ও যেন ঘোর বনের মধ্যে কেউ কোত্থাও নেই। ঐখানে ঝাউতলা জুড়ে বাঁধব মোরা ছোট্ট কুঁড়ে, শুকনো পাতা বিছিয়ে ঘরে থাকব দুজনেই। বাঘ ভাল্লুক অনেক আছে আসবে না কেউ তোমার কাছে, দিনরাত্তির কোমর বেঁধে থাকব পাহারাতে। রাক্ষসেরা ঝোপে ঝাড়ে মারবে উঁকি আড়ে আড়ে দেখবে আমি দাঁড়িয়ে আছি ধনুক নিয়ে হাতে। আঁচলেতে খই নিয়ে তুই যেই দাঁড়াবি দ্বারে অমনি যত বনের হরিণ আসবে সারে সারে। শিংগুলি সব আঁকাবাঁকা, গায়েতে দাগ চাকা চাকা, লুটিয়ে তারা পড়বে ভুঁয়ে পায়ের কাছে এসে। ওরা সবাই আমায় বোঝে, করবে না ভয় একটুও যে, হাত বুলিয়ে দেব গায়ে, বসবে কাছে ঘেঁষে। ফলসা-বনে গাছে গাছে ফল ধরে মেঘ করে আছে, ঐখানেতে ময়ূর এসে নাচ দেখিয়ে যাবে। শালিখরা সব মিছিমিছি লাগিয়ে দেবে কিচিমিচি, কাঠবেড়ালি লেজটি তুলে হাত থেকে ধান খাবে। দিন ফুরোবে, সাঁজের আঁধার নামবে তালের গাছে। তখন এসে ঘরের কোণে বসব কোলের কাছে। থাকবে না তোর কাজ কিছু তো, রইবে না তোর কোনো ছুতো, রূপ-কথা ত...

রবিবার

সোম মঙ্গল বুধ এরা সব আসে তাড়াতাড়ি, এদের ঘরে আছে বুঝি মস্ত হাওয়াগাড়ি? রবিবার সে কেন, মা গো, এমন দেরি করে? ধীরে ধীরে পৌঁছয় সে সকল বারের পরে। আকাশপারে তার বাড়িটি দূর কি সবার চেয়ে? সে বুঝি, মা, তোমার মতো গরিব-ঘরের মেয়ে? সোম মঙ্গল বুধের খেয়াল থাকবারই জন্যেই, বাড়ি-ফেরার দিকে ওদের একটুও মন নেই। রবিবারকে কে যে এমন বিষম তাড়া করে, ঘণ্টাগুলো বাজায় যেন আধ ঘণ্টার পরে। আকাশ-পারে বাড়িতে তার কাজ আছে সব-চেয়ে সে বুঝি, মা, তোমার মতো গরিব-ঘরের মেয়ে। সোম মঙ্গল বুধের যেন মুখগুলো সব হাঁড়ি, ছোটো ছেলের সঙ্গে তাদের বিষম আড়াআড়ি। কিন্তু শনির রাতের শেষে যেমনি উঠি জেগে, রবিবারের মুখে দেখি হাসিই আছে লেগে। যাবার বেলায় যায় সে কেঁদে মোদের মুখে চেয়ে। সে বুঝি, মা, তোমার মতো গরিব ঘরের মেয়ে?

দুষ্টু

তোমার কাছে আমিই দুষ্টু ভালো যে আর সবাই। মিত্তিরদের কালু নিলু ভারি ঠাণ্ডা ক-ভাই! যতীশ ভালো, সতীশ ভালো, ন্যাড়া নবীন ভালো, তুমি বল ওরাই কেমন ঘর করে রয় আলো। মাখন বাবুর দুটি ছেলে দুষ্টু তো নয় কেউ-- গেটে তাদের কুকুর বাঁধা কর্তেছে ঘেউ ঘেউ। পাঁচকড়ি ঘোষ লক্ষ্মী ছেলে, দত্তপাড়ার গবাই, তোমার কাছে আমিই দুষ্টু ভালো যে আর সবাই। তোমার কথা আমি যেন শুনি নে কক্‌খনোই, জামাকাপড় যেন আমার সাফ থাকে না কোনোই! খেলা করতে বেলা করি, বৃষ্টিতে যাই ভিজে, দুষ্টুপনা আরো আছে অমনি কত কী যে! বাবা আমার চেয়ে ভালো? সত্যি বলো তুমি, তোমার কাছে করেন নি কি একটুও দুষ্টুমি? যা বল সব শোনেন তিনি, কিচ্ছু ভোলেন নাকো? খেলা ছেড়ে আসেন চলে যেমনি তুমি ডাক?

মনে পড়া

মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু কখন খেলতে গিয়ে হঠাৎ অকারণে একটা কী সুর গুনগুনিয়ে কানে আমার বাজে, মায়ের কথা মিলায় যেন আমার খেলার মাঝে। মা বুঝি গান গাইত, আমার দোলনা ঠেলে ঠেলে; মা গিয়েছে, যেতে যেতে গানটি গেছে ফেলে। মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু যখন আশ্বিনেতে ভোরে শিউলিবনে শিশির-ভেজা হাওয়া বেয়ে ফুলের গন্ধ আসে, তখন কেন মায়ের কথা আমার মনে ভাসে? কবে বুঝি আনত মা সেই ফুলের সাজি বয়ে, পুজোর গন্ধ আসে যে তাই মায়ের গন্ধ হয়ে। মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু যখন বসি গিয়ে শোবার ঘরের কোণে; জানলা থেকে তাকাই দূরে নীল আকাশের দিকে মনে হয়, মা আমার পানে চাইছে অনিমিখে। কোলের 'পরে ধরে কবে দেখত আমায় চেয়ে, সেই চাউনি রেখে গেছে সারা আকাশ ছেয়ে।