Skip to main content

Posts

Showing posts with the label

ভব সাগর

ভব সাগর তারণ কারণ হে। রবি নন্দন বন্ধন খন্ডণ হে। শরণাগত কিঙ্কর ভীত মনে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। হৃদি কন্দর তামস ভাস্কর হে। তুমি বিষ্ণু প্রজাপতি শঙ্কর হে। পরব্রহ্ম পরাৎপর বেদ ভণে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। মন বারণ শাসন অঙ্কুশ হে। নরত্রান তরে হরি চাক্ষুষ হে। গুণগান পরায়ণ দেবগণে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। কুলকুণ্ডলিনী ঘুম ভঞ্জক হে। হৃদিগ্রন্থি বিদারণ কারক হে। মম মানস চঞ্চল রাত্রি দিনে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। রিপুসূদন মঙ্গলনায়ক হে। সুখ শান্তি বরাভয় দায়ক হে। ত্রয় তাপ হরে তব নাম গুণে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। অভিমান প্রভাব বিনাশক হে। গতিহীন জনে তুমি রক্ষক হে। চিত শঙ্কিত বঞ্চিত ভক্তি ধনে। গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। গুরুদেব কৃপা করো জ্ঞান হীনে  গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।। তব নাম সদা শুভ স...

ভিনদেশী তারা

আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলে কোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামের মুখে তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে মুখ লুকিয়ে কার বুকে তোমার গল্প বলো কাকে? আমার রাতজাগা তারা তোমার অন্য পাড়ায় বাড়ি আমায় ভয় পাওয়া চেহারা আমি আদতে আনাড়ি। আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি কিছু মিথ্যে বাহাদুড়ি আমার চোখ বেঁধে দাও আলো দাও শান্ত শীতল পাটি তুমি মায়ের মতই ভালো আমি একলাটি পথ হাঁঠি… আমার বিচ্ছিরি একতারা তুমি নাওনা কথা কানে তোমার কিসের এত তাড়া? এ রাস্তা পার হবে সাবধানে… তোমার গায় লাগেনা ধুলো আমার দু’মুঠো চাল-চুলো রাখো শরীরে হাত যদি আর জল মাখো দুই হাতে… প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে আমার মন খারাপের রাতে আমার রাতজাগা তারা তোমার আকাশ ছোয়া বাড়ি আমি পাইনা ছুঁতে তোমায় আমার একলা লাগে ভারী… আমার রাতজাগা তারা তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি আমি পাইনা ছুঁতে তোমায় আমার একলা লাগে ভারী…

ভালবাসি তোমায়

জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে, ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে। জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে, ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।। কেন এমন যে মনে হয়, কথা শুধুই কথা আর নয়, যেন উজার করে চায় দিতে আজ যা কিছু প্রানে। ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে। জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে, ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।। কিছুতেই হয়না বলা আর, শত কথায়ও যা বলার, কিছুতেই হয়না বলা আর, শত কথায়ও যা বলার। বুঝি জানাতে চাই সব যারে মোর আপনি সে জানে, ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে। জানাতে যত যাই কথায়, হারায় ততই মানে, ভালবাসি তোমায়, তাই জানাই গানে।।

ভালোবাসি জ্যোৎস্নায়

ভালোবাসি জ্যোৎস্নায় কাশবনে ছুটতে ছায়াঘেরা মেঠোপথে ভালোবাসি হাঁটতে, দূর পাহাড়ের গায়ে গোধূলীর আলো মেখে কাছে ডাকে ধান ক্ষেত সবুজ দিগন্তে, তবু কিছুই যেন ভালো যে লাগে না কেন উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন, কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও... ভালোলাগে ডিঙি নৌকায় চড়ে ভাসতে প্রজাপতি বুনোহাঁস ভালো লাগে দেখতে, জানলার কোণে বসে উদাসী বিকেল দেখে ভালোলাগে একমনে কবিতা পড়তে, তবু কিছুই যেন ভালো যে লাগে না কেন উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন, কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও... যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে শুধুই ফসল ফলায় ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে, তখন ভালো লাগেনা লাগেনা কোনো কিছুই... সুদিন কাছে এসো, ভালোবাসি একসাথে আজ সবকিছু।। ভালোবাসি পিকাসো বুনুয়েল দান্তে বিটলস ডিলান আর বেটোভেন শুনতে, রবিশঙ্কর আর আলি আকবর শুনে ভালোলাগে ভোরে কুয়াশায় ঘরে ফিরতে, তবু কিছুই যেন ভালো যে লাগে না কেন উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন, কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও... যখন দেখি ওরা কাজ করে গ্রামে বন্দরে শুধুই ফসল ফলায় ঘাম ঝরায় মাঠে প্রান্তরে তখন ভালো লাগেনা ল...

ভাবতেই পারো

ভাবতেই পারো ক্লান্ত কোন দুপুরে ধুলো মেখে মেখে বেজে ওঠা নূপুরে সুর মেলে ডানা আকাশের উপরে যাও যদি সুদূরপানে চেনা কোন অন্যখানে ভালবাসার মেঘে ঘেরা আসবে যে আমার মনে আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু আজ তোমার মেঘে মেঘে রং আজ তুমি মেঘে মেঘে যেমন ইচ্ছে তেমন ভালবাসা নিয়ে আসি আজ আমি মেঘে মেঘে সারাক্ষণ ভাবতেই পারো আলোর শেষে সন্ধ্যা কেন মুচকি হেসে সুদূরে যায় নিয়ে চলে তোমার কথা আমায় বলে ভাবতেই পারো আমরা দূরে যেমন আছি বহুকাল ধরে তবুও আজ মেঘের দেশে শুধুই আমায় মনে পড়ে 

ভালো আছি ভালো থেকো

ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো দিও তোমার মালা খানি, বাউলের এই মনটারে, আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। পুষে রাখে যেমন ঝিনুক খোলসের আবরণে মুক্তোর সুখ, তেমনি তোমার নিবিড় চলা ভিতরের এই বন্দরে । ঢেকে রাখে যেমন কুসুম পাপড়ীর আবডালে ফসলের ধুম, তেমনি তোমার নিবিড় ছোয়া গভীরের এই বন্দরে।

ভাগ্য লিখন

এখন কিছুই অজানা নেই, তোমার কিংবা আমার কাছে, আমরা জানি ঘর পালানো লোকগুলো সব কোথায় আছে। অন্যরকম হবো বলে, আমরা ওপথ খুঁজেছিলাম, ঘুরেফিরে সেইতো একই চার দেওয়ালের খাঁচায় এলাম। আমরা জানি কেউ রাস্তায়, কেউ বা বাসন লবন হাতে, মেট্রো রেলের গর্তে কারো, ইরতবিতর জীবন কাটে। অনেক হলো দেয়াল লিখন, লাল কালিতে নীলে লেখা, এখন বরং তাবিজ কবজ ভাগ্য লিখন পড়তে শেখা। আমরা এখন জেনে গেছি, কথা বলার ধরন ধারণ, কোন গাছে কোন সার লাগাবো, কোন ফসলটা তোলা বারণ। আমরা এখন জেনে গেছি, সকাল দুপুর বিকেল পরে, অন্ধকারে রাত্রি নামে ক্রমে ক্রমে বয়স বাড়ে। আমরা এখন সবই জানি, মিঠে নোনা জলের তফাৎ, পোড় খাওয়া মন ক'বার বলো এক আগুনে পোড়াবে হাত। অজানা পথ অজানা পথ, পথ হারাবো কেমন করে, এখন নদী জেনে গেছে, মিলবে গিয়ে কোন সাগরে। কেউ যদি আজ অন্য কথা বলতো তবে বেশ তো হত, নতুন কোন পাহাড় যদি চুড়োর দিকে টেনে নিতো।

ভূপেন হাজারিকা

কোন মোহনায় কোন সুর যায় রঙ্গিলা বাঁশি কে একা বাজায় কাকে চেনা লাগে কে থাকে অচেনা ছেলেবেলা আর ফিরে আসবেনা স্মৃতিতে তবুও আনাগোনা তাঁর ছোট ছোট ঢেউ সচল গলার। পল্লী মিশত নাগরিকতায় জানতেন তিনি কোনটা মানায় কোথায় মানাবে কিসে বেমানান জানতেন তিনি গানের বানান শুরুতেই বোঝা যেত কার সুর কার পায়ে বাঁধা নূপুরে দুপুর।  মেঘ ভেঙে দেয়া রোদ্দুর এসে আমার দুপুর বড় ভালোবেসে জল চিকমিক কলকের ফুলে ময়নার শিস যেত হেলে দুলে এখন সন্ধ্যে নদীতে উজান ওপারে ভূপেন হাজারিকা গান।

ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রমর কইও গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে, ভ্রমর কইও গিয়া। ভ্রমর রে, কইও কইও কইওরে ভ্রমর, কৃষ্ণরে বুঝাইয়া মুই রাধা মইরা যাইমু, কৃষ্ণহারা হইয়া রে ভ্রমর কইও গিয়া। ভ্রমর রে, আগে যদি জানতাম রে ভ্রমর যাইবা রে ছাড়িয়া মাথার কেশ দুই ভাগ করে রাখিতাম বান্ধিয়া রে ভ্রমর কইও গিয়া। ভ্রমর রে, ভাইবে রাধার মন বলে শোন রে কালিয়া নিভা ছিল মনের আগুন, কে দিলা জ্বালাইয়া ভ্রমর কইও গিয়া।

ভালোবেসে সখী

ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো-- তোমার মনের মন্দিরে। আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো-- তোমার চরণমঞ্জীরে॥ ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে আমার মুখর পাখি-- তোমার প্রাসাদপ্রাঙ্গণে॥ মনে ক'রে সখী, বাঁধিয়া রাখিয়ো আমার হাতের রাখী-- তোমার কনককঙ্কণে॥ আমার লতার একটি মুকুল ভুলিয়া তুলিয়া রেখো-- তোমার অলকবন্ধনে। আমার স্মরণ শুভ-সিন্দুরে একটি বিন্দু এঁকো-- তোমার ললাটচন্দনে। আমার মনের মোহের মাধুরী মাখিয়া রাখিয়া দিয়ো-- তোমার অঙ্গসৌরভে। আমার আকুল জীবনমরণ টুটিয়া লুটিয়া নিয়ো-- তোমার অতুল গৌরবে॥

ভালো যদি বাস সখী

ভালো যদি বাস, সখী, কী দিব গো আর? কবির হৃদয় এই দিব উপহার। এত ভালোবাসা, সখী, কোন্‌ হৃদে বলো দেখি? কোন্‌ হৃদে ফুটে এত ভাবের কুসুমভার। তা হলে এ হৃদিধামে তোমারি তোমারি নামে, বাজিবে মধুর স্বরে মরমবীণার তার। যা-কিছু গাহিব গান ধ্বনিবে তোমারি নাম, কী আছে কবির বলো, কী তোমারে দিব আর।।

ভেঙে মোর ঘরের চাবি

ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার! না পেয়ে তোমার দেখা, একা একা দিন যে আমার কাটে না রে। বুঝি গো রাত পোহালো বুঝি ওই রবির আলো আভাসে দেখা দিল গগন-পারে সমুখে ওই হেরি পথ, তোমার কি রথ পৌঁছবে না মোর-দুয়ারে। আকাশের যত তারা চেয়ে রয় নিমেষহারা, বসে রয় রাত-প্রভাতের পথের ধারে। তোমারি দেখা পেলে সকল ফেলে ডুববে আলোক-পারাবারে। প্রভাতের পথিক সবে এল কি কলরবে গেল কি গান গেয়ে ওই সারে সারে! বুঝি-বা ফুল ফুটেছে, সুর উঠেছে অরুণবীণার তারে তারে।