Skip to main content

Posts

Showing posts with the label

গান পাপী

কানার মাঝে ঝাপসা'রা সব, হেথায় করে রাজ  নিজেকে তাই রবীন্দ্রনাথ হচ্ছে মনে আজ  তোমারও তো চলন বলন সলিল চৌধুরী  পড়লে ঝড়ে ঘুমায় পাহাড়, ডিগবাজি খায় নুড়ি  খালি কলস বাজে বেশী সেই হয়েছে দশা  সিংহ ভাবতে ভালোবাসে নিজেকে আজ মশা গীটার হাতে ছুটছি কতো Satriani'র বাবা  আওয়াজ শুনে মূর্খ বলে "মারহাবা মারহাবা" স্বর-সাধনার খ্যাতায় আগুন, কারণ বাজার খালি  কোনমতে 'সা' বলিলেই বড়ে গোলাম আলী  তাতেও যদি না হয় তবে কায়দা আছে জানা  ভেড়ার কণ্ঠ বানায় যন্ত্র পারভিন সুলতানা শিল্পী হবার শখ হয়েছে, গান যদি না শেখো  সুকৌশলের বিদ্যা চুরি রপ্ত করে রেখো  এটার মাথা, ওটার হাঁটু, সেটার কনুই জুড়ে  গেয়ে ওঠো সরল গলায় আনকোরা এক সুরে  সে গান শুনেই মুগ্ধ শ্রোতার হারিয়ে যাবে ভাষা  মূর্খ-কুলের সহসা নেই জ্ঞান-প্রাপ্তির আশা গানের যোগান বন্ধ হলে পড়বে ভাতে টান  ঘাবড়িওনা, বুদ্ধি করে বাঁচিও সম্মান  এসো তখন পুরোনো গান সংরক্ষণ করি  কর্তা-শচীন পুত্র তাহার একে একে ধরি  আছে সবার লালন ঘোড়া চড়ো তাহার ঘাড়ে...

গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে

গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে মৃদুল মধুর বংশি বাজে, বিসরি ত্রাস-লোকলাজে সজনি, আও আও লো। পিনহ চারু নীল বাস, হৃদয়ে প্রণয়কুসুমরাশ, হরিণনেত্রে বিমল হাস, কুঞ্জবনমে আও লো॥ ঢালে কুসুম সুরভভার, ঢালে বিহগ সুরবসার, ঢালে ইন্দু অমৃতধার বিমল রজতভাতি রে। মন্দ মন্দ ভৃঙ্গ গুঞ্জে, অযুত কুসুম কুঞ্জে কুঞ্জে, ফুটল সজনি, পুঞ্জে পুঞ্জে বকুল যূথি জাতি রে॥ দেখ, লো সখি, শ্যামরায় নয়নে প্রেম উথল যায়- মধুর বদন অমৃতসদন চন্দ্রমায় নিন্দিছে। আও আও সজনিবৃন্দ, হেরব সখি শ্রীগোবিন্দ শ্যামকো পদারবিন্দ ভানুসিংহ বন্দিছে॥

গরম দুপুরে

এই আধপোড়া শহরটা দগদগে ঘা নিয়ে ধুকপুক করে বাঁচে গরম দুপুরে। এই চেনামুখ শহরের অলিগলি সাপগুলি দমচেপে পড়ে থাকে গরম দুপুরে। এই ঘামে ভেজা শহরের নাগরিক ফিরিওয়ালা দরজায় টোকা মারে গরম দুপুরে। এই ঝিমধরা শহরের আলোছায়া গৃহকোণে গৃহিনী নিদ্রা দেন গরম দুপুরে। এই আধপেটা শহরের কুকুর কাকের সাথে জঞ্জালে মুখ রাখে গরম দুপুরে। এই আধপোড়া শহরের একা নদি বয়ে চলে মড়া পোড়া ছাই নিয়ে গরম দুপুরে।