Skip to main content

Posts

Showing posts with the label

উল্টো রাজার দেশে

কোন এক উল্টো রাজা, উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে, উল্টো বেশে, সোজা পথ পোড়ে পায়ে, সোজা পথে কেউ চলেনা বাঁকা পথ জ্যাম হরদম, জমজমাট ভিড় কমেনা। সে দেশে করে পাস এম এ, বি এ, কেরানির জীবন যাপন রাজনীতি করলেরে ভাই, ডিগ্রীর কি প্রয়োজন ? জনগণ তুলে দেবে তোমার হাতে দেশের শাসন সে দেশে, অর্থের কারচুপিতে সিদ্ধ যিনি -অর্থমন্ত্রী দেশের শত্রু মাঝে প্রধান যিনি –প্রধানমন্ত্রী, সে দেশে ধার করে ভাই শোধে রাজা ধারের টাকা মরে ভূত হল মানুষ, লোক দেখানো বৈদ্দি ডাকা। সে দেশে, অবহেলায় যখন ফোকলা সংস্কৃতির মাড়ি বিদেশি চ্যানেল তখন পৌঁছে যে যায় বাড়ি বাড়ি, আনন্দ, কি আনন্দ এসে গেছে কোকাকোলা গেছে সব দেনার দায়ে বাকি আছে কাপড় খোলা, পায় না খেতে যারা গাইত খেয়াল, টপ্পা ঝানু গেয়ে গান হচ্ছে ধনী রাম, শ্যাম আর কুমার পানু কোন এক উল্টো রাজা, উল্টো বুঝলি প্রজার দেশে চলে সব উল্টো পথে, উল্টো রথে, উল্টো বেশে। পারেনা ধরতে পুলিশ সত্যি অপরাধী, যারা বাড়ছে সুখে নিরীহ প্রেমিক-প্রেমিকাদের ধরে, নিচ্ছে টাকা লেকের ধারে,পুজোর মুখে, এদিকে ধর্ম ধর্ম ধর্ম নিয়ে চলছে বামাল ধর্মকে তোয়াজ করে সব শালারাই সাদা ...

উতল-ধারা বাদল ঝরে

উতল-ধারা বাদল ঝরে, সকল বেলা একা ঘরে॥ সজল হাওয়া বহে বেগে, পাগল নদী ওঠে জেগে, আকাশ ঘেরে কাজল মেঘে, তমালবনে আঁধার করে॥ ওগো বঁধু দিনের শেষে, এলে তুমি কেমন বেশে, আঁচল দিয়ে শুকাব জল, মুছাব পা আকুল কেশে। নিবিড় হবে তিমির-রাতি, জ্বেলে দেব প্রেমের বাতি, পরানখানি দেব পাতি, চরণ রেখো তাহার 'পরে॥ ভুলে গিয়ে জীবন মরণ, লব তোমায় ক'রে বরণ, করিব জয় শরম-ত্রাসে,   দাঁড়াব আজ তোমার পাশে, বাঁধন বাধা যাবে জ্ব'লে, সুখ দুঃখ দেব দ'লে, ঝড়ের রাতে তোমার সাথে, বাহির হব অভয়ভরে॥ উতল-ধারা বাদল ঝরে, দুয়ার খুলে এলে ঘরে। চোখে আমার ঝলক লাগে, সকল মনে পুলক জাগে, চাহিতে চাই মুখের বাগে, নয়ন মেলে কাঁপি ডরে॥

উত্তরও তো জানা

কতটা পথ পেরোলে তবে পথিক বলা যায় কতটা পথ পেরোলে পাখি জিরোবে তার দায় কতটা অপচয়ের পর মানুষ চেনা যায় প্রশ্নগুলো সহজ, আর উত্তরও তো জানা। কত বছর পাহাড় বাঁচে ভেঙ্গে যাবার আগে কত বছর মানুষ বাঁচে পায়ে শিকল পড়ে ক’বার তুমি অন্ধ সেজে থাকার অনুরাগে বলবে তুমি দেখছিলে না তেমন ভালো করে। কত হাজার বারের পর আকাশ দেখা যাবে কতটা কান পাতলে পরে কান্না শোনা যাবে কত হাজার মরলে তবে মানবে তুমি শেষে, বড্ড বেশী মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে।

উর্বশী

নহ মাতা , নহ কন্যা , নহ বধূ , সুন্দরী রূপসী , হে নন্দনবাসিনী উর্বশী! গোষ্ঠে যবে সন্ধ্যা নামে শ্রান্ত দেহে স্বর্ণাঞ্চল টানি তুমি কোনো গৃহপ্রান্তে নাহি জ্বাল সন্ধ্যাদীপখানি , দ্বিধায় জড়িত পদে কম্প্রবক্ষে নম্রনেত্রপাতে স্মিতহাস্যে নাহি চল সলজ্জিত বাসরশয্যাতে স্তব্ধ অর্ধরাতে । উষার উদয়-সম অনবগুণ্ঠিতা তুমি অকুণ্ঠিতা । বৃন্তহীন পুষ্প-সম আপনাতে আপনি বিকশি কবে তুমি ফুটিলে উর্বশী! আদিম বসন্তপ্রাতে উঠেছিলে মন্থিত সাগরে , ডান হাতে সুধাপাত্র বিষভাণ্ড লয়ে বাম করে , তরঙ্গিত মহাসিন্ধু মন্ত্রশান্ত ভুজঙ্গের মতো পড়েছিল পদপ্রান্তে উচ্ছ্বসিত ফণা লক্ষ শত করি অবনত । কুন্দশুভ্র নগ্নকান্তি সুরেন্দ্রবন্দিতা , তুমি অনিন্দিতা । কোনোকালে ছিলে না কি মুকুলিকা বালিকা-বয়সী হে অনন্তযৌবনা উর্বশী! আঁধার পাথারতলে কার ঘরে বসিয়া একেলা মানিক মুকুতা লয়ে করেছিলে শৈশবের খেলা , মণিদীপদীপ্ত কক্ষে সমুদ্রের কল্লোলসংগীতে অকলঙ্ক হাস্যমুখে প্রবাল-পালঙ্কে ঘুমাইতে কার অঙ্কটিতে । যখনি জাগিলে বিশ্বে , যৌবনে গঠিতা , যুগযুগান্তর হতে তুমি শুধু বিশ্বের প্রেয়সী হে অপূর্বশোভনা উর্বশী! মুনিগণ ধ্যান ভাঙি...