Skip to main content

Posts

Showing posts with the label

মনে করি আসাম যাবো

আল কিনারে নাহর গাছে বগা বগা ফুল ফুল কে দেখিয়া ছুড়ি ধ্যাচাকে চামড়াইল, গাছের মধ্যে তুলসী, বাটার মধ্যে পান সাদা সাহেব ফাঁকি দিয়া চলাইলি আসাম। মনে করি আসাম যাবো আসাম গেলে তোমায় পাবো, মনে করি আসাম যাব আসামেতে লাকড়ি লিবো, বাবু বলে কাম কাম সাহেব বলে ধরি আন সর্দার বলে লিবো পিঠের চাম, এ বাপুরাম, ফাঁকি দিয়া চলাইলি আসাম, এ বাপুরাম, ফাঁকি দিয়া চলাইমি আসাম। আর চিঠি তে কি ভুলে মন বিনা দরিশনে বাগানে কি ফুটে ফুল বিনা বরিষনে চিঠি তে কি ভুলে মন বিনা দরিশনে বাগানে কি ফুটে ফুল বিনা বরিষনে। মনে করি আসাম যাবো আসাম গেলে তোমায় পাবো মনে করি আসাম যাবো আসামে তে লাকড়ি লিবো বাবু বলে কাম কাম সাহেব বলে ধরি আন সরদার বলে লিবো পিঠের চাম, এ বাপুরাম, ফাঁকি দিয়া চলাইলি আসাম এ বাপুরাম, ফাঁকি দিয়া চলাইলি আসাম। আর বানাই দিলি গ্রামীন কুলি টাঙ্গাই দিলি পিঠে ঝুলি ঝুলি টাঙ্গাই ভিখারি বানাইলি, নিঠুরো সাম জনমে জনমে কাঁদাইলি, আর বানাই দিলি গ্রামীন কুলি টাঙ্গাই দিলি পিঠে ঝুলি ঝুলি টাঙ্গাই ভিখারি বানাইলি নিঠুরো সাম জনমে জনমে কাঁদাইলি। মনে করি আসাম যাবো আসাম গেলে তোমায় পাবো, মনে করি আসাম যাবো আসাম তে লাকড়ি নিবো, বাবু বলে কাম কাম, সাহে...

মোর বীণা ওঠে

মোর বীণা ওঠে কোন্‌ সুরে বাজি কোন্‌ নব চঞ্চল ছন্দে। মম অন্তর কম্পিত আজি নিখিলের হৃদয়স্পন্দে॥ আসে কোন্‌ তরুণ অশান্ত, উড়ে বসনাঞ্চলপ্রান্ত, আলোকের নৃত্যে বনান্ত মুখরিত অধীর আনন্দে। অম্বরপ্রাঙ্গনমাঝে নিঃস্বর মঞ্জীর গুঞ্জে। অশ্রুত সেই তালে বাজে করতালি পল্লবপুঞ্জে। কার পদপরশন-আশা তৃণে তৃণে অর্পিল ভাষা, সমীরণ বন্ধনহারা উন্‌মন কোন্‌ বনগন্ধে॥

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি।  আহা, হাহা, হা। আজ আমাদের ছুটি ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি।  আহা, হাহা, হা ॥ কী করি আজ ভেবে না পাই,  পথ হারিয়ে কোন্‌ বনে যাই, কোন্‌ মাঠে যে ছুটে বেড়াই সকল ছেলে জুটি।  আহা, হাহা, হা ॥ কেয়া-পাতার নৌকো গড়ে সাজিয়ে দেব ফুলে-- তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব, চলবে দুলে দুলে। রাখাল ছেলের সঙ্গে ধেনু চরাব আজ বাজিয়ে বেণু, মাখব গায়ে ফুলের রেণু চাঁপার বনে লুটি।  আহা, হাহা, হা ॥

ময়মনসিংহ গীতিকা

নয়া বাড়ী লইয়ার বাইদ্যা লাগাইল বাইঙ্গন, সেই বাইঙ্গন তুলতে কইন্যা জুড়িল কাইন্দন গো জুড়িল কাইন্দন।। কাইন্দ না কাইন্দ না কইন্যা না কান্দিয়ো আর, সেই বাইঙ্গন বেইচ্যা দিয়াম তোমার গলায় হার গো তোমার গলার হার।। নয়া বাড়ী লইয়ার বাইদ্যা লাগাইলো কচু, সেই কচু বেচ্যা দিয়াম তোমার হাতের বাজু গো তোমার হাতের বাজু।। নয়া বাড়ী লইয়ার বাইদ্যা লাগাইলো কলা, সেই কলা বেইচ্যা দিয়াম তোমার গলার মালা গো তোমার গলার মালা।। নয়া বাড়ী লইয়ার বাইদ্যা বানলো চৌকারী, চৌদিকে মালঞ্চের বেড়া আয়না সারি সারি গো আয়না সারি সারি।। হাস মারলাম কইতর মারলাম মাইছ্যা মারলাম টিয়া। বালা কইরা রাইন্দো বেগুন কালাজিরা দিয়া গো কালাজিরা দিয়া।।

মেঘ থম থম করে

মেঘ থম থম করে কেউ নেই জল থই থই করে কিছু নেই ভাঙনের যে নেই পারাপার তুমি আমি সব একাকার মেঘ থম থম করে কেউ নেই। কোথায় জানিনা, মেঘ ছিল যে কোথায়? সীমানা পেরিয়ে সব মিশে যেতে চায় মেঘ থম থম করে কেউ নেই জল থই থই করে কিছু নেই আঁধারের যে নেই পারাপার মেঘ থম থম করে কেউ নেই। পুরানো সব নিয়ম ভাঙে অনিয়মের ঝড় ঝড়ো হাওয়া ভেঙে দিল মিথ্যে তাসের ঘর। নুতন মাটিতে আসে ফসলেরই কাল আঁধার পেরিয়ে আসে আগামী সকাল। রাত ঘুম ঘুম ভোরে জাগে ঐ রোদ ঝলমল করে দেখ ঐ বাতাসের যে নেই হাহাকার পথ নেই যে পথ হারাবার রাত ঘুম ঘুম ভোরে জাগে ঐ।

মোরা একটি ফুলকে

মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি। যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা যার নদী জল ফুলে ফুলে মোর স্বপ্ন আঁকা। যে দেশের নীল অম্বরে মন মেলছে পাখা সারাটি জনম সে মাটির টানে অস্ত্র ধরি। মোরা নতুন একটি কবিতা লিখতে যুদ্ধ করি― মোরা নতুন একটি গানের জন্য যুদ্ধ করি মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি মোরা সারা বিশ্বের শান্তি বাঁচাতে আজকে লড়ি। যে নারীর মধু প্রেমেতে আমার রক্ত দোলে যে শিশুর মায়া হাসিতে আমার বিশ্ব ভোলে যে গৃহ কপোত সুখ স্বর্গের দুয়ার খোলে সেই শান্তির শিবির বাঁচাতে শপথ করি।। মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।

মনে পড়ে সেই

মনে পড়ে সেই সুপুরি গাছের সারি তারপাশে মৃদু জ্যোত্‌স্না-মাখানো গ্রাম, মাটির দেয়ালে গাঁথা আমাদের বাড়ি ছোট ছোট সুখে সিদ্ধ মনোস্কাম। পড়শি নদীটি ধনুকের মত বাঁকা উরু-ডোবা জলে সারাদিন খুনসুটি, বাঁশের সাঁকোটি শিশু শিল্পীর আঁকা হেলানো বটের গায়ে দোল খায় ছুটি এপারে-ওপারে ঢিল ছুঁড়ে ডাকাডাকি ও দিকের গ্রামে রোদ্দুর কিছু বেশি, ছায়া ঠোঁটে নিয়ে উড়ে যায় কটি পাখি ভরা নৌকায় গান গায় ভিনদেশী। আমার বন্ধু আজানের সুরে জাগে আমার দুচোখে তখনো স্বপ্নলতা, ভোরের কুসুম ওপারে ফুটেছে আগে এপারে শিশিরপতনের নীরবতা। আমার বন্ধু বহু ঝগড়ার সাথি কথায় কথায় এই ভাব এই আড়ি, মার কাছে গিয়ে পাশাপাশি হাত পাতি গাব গাছে উঠে সে হাতেই কাড়াকাড়ি। আমার বন্ধু দুনিয়াদারির রাজা মিথ্যে কথায়  জগৎ  সভায় সেরা, দোষ না করেও পিঠ পেতে নেয় সাজা আমি দেখি তার সহাস্য মুখে ফেরা। বন্ধু হারালে দুনিয়াটা খাঁ খাঁ করে ভেঙে যায় গ্রাম, নদীও শুকনো ধূ ধূ, খেলার বয়েস পেরোলেও একা ঘরে বারবার দেখি বন্ধুরই মুখ শুধু। সাঁকোটির কথা মনে আছে, আনোয়ার ? এত কিছু গেল, সাঁকোটি এখনো আছে, এপার ওপার স্মৃতিময় একাকার সাঁকোটি দুলছে...

মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয়

বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাব বেণীমাধব তুমি কি আর আমার কথা ভাব ? বেণীমাধব মোহন বাঁশি তমাল তরু মূলে বাজিয়েছিলে, আমি তখন মালতী স্কুলে। ডেস্কে বসে অঙ্ক করি, ছোট্ট ক্লাস ঘর বাইরে দিদিমণির পাশে দিদিমণির বর। আমি তখন নবম শ্রেণি, আমি তখন শাড়ি, আলাপ হলো, বেণীমাধব, সুলেখাদের বাড়ি। বেণীমাধব, বেণীমাধব, লেখাপড়ায় ভাল শহর থেকে বেড়াতে এলে, আমার রঙ কালো। তোমায় দেখে একদৌড়ে পালিয়ে গেছি ঘরে বেণীমাধব, আমার বাবা দোকানে কাজ করে। কুঞ্জে অলি গুঞ্জে তবু ফুটেছে মঞ্জরী সন্ধ্যা বেলা পড়তে বসে অঙ্কে ভুল করি। আমি তখন নবম শ্রেণি, আমি তখন ষোলো ব্রিজের ধারে, বেণীমাধব, লুকিয়ে দেখা হলো। বেণীমাধব, বেণীমাধব, এতদিনের পরে সত্যি বল সেসব কথা এখনও মনে পড়ে? সেসব কথা বলেছ তুমি তোমার প্রেমিকাকে? আমি কেবল একটিদিন তোমার পাশে তাকে, দেখেছিলাম আলোর নীচে, অপূর্ব সে আলো। স্বীকার করি দুজনকেই মানিয়েছিল ভালো। জুড়িয়ে দিল চোখ আমার, পুড়িয়ে দিল চোখ বাড়িতে এসে বলেছিলাম – ওদের ভালো হোক। রাতে এখন ঘুমোতে যাই – একতলার ঘরে মেঝের ’পরে বিছানা পাতা, জোৎস্না এসে পড়ে। আমার পরে যে বোন ছিল, চোরাপথের বাঁক...

মুখোশ

তোমাকে যেমন ভাবছে সবাই আসলে কি তুমি তাই আমি তো আমার মুখোমুখি হলে দারুন লজ্জা পাই। এই যে তোমার স্বচ্ছ দু’চোখ সবেতেই সাবলীল অন্তরে আর বাহিরে তোমার আদৌ কি আছে মিল। আমার কিন্তূ অগণিত পাপ যত্নে লুকিয়ে রাখা অথচ দেখেছো মুখখানা কত পবিত্রতায় মাখা। হাসিতে তোমার সঞ্চিত আজ যতখানি সরলতা মুখের বুলিতে বিদ্রোহ আর সোচ্চার মানবতা। যা কিছু মহান সুন্দর তুমি রপ্ত করেছো বেশ তোমার মাঝেই শত সুন্দর করে যেন সমাবেশ। কত সাধনায় মিথ্যে মুখোশে মুগ্ধ করেছো বটে কানে কানে তবু গোপন কথাটি বলে যাই অকপটে। বন্ধু আমাকে বানাতে কিন্তূ পারোনি আহাম্মক মনের ভেতরে দেখেছি তোমার লোভী চক্‌চকে চোখ। তোমাকে চিনেছি কেননা জানো তো রতনে রতন চেনে আমিও নষ্ট ঘুণাক্ষরেও বুঝবে না দেখে শুনে। যত সাধনায় মুগ্ধ করেছি মানুষের অন্তর হৃদয়ে আমার ছিটেফোঁটা যদি থাকতো সে সুন্দর। নিজেকে তখন মুগ্ধ চোখেই দেখতাম অবিরত তোমার আমার হৃদয় হতো না মাকাল ফলের মত। হিসেবের ভুল তোমার আমার মুখোশটা খুলে দিলে ধরা পড়ে যাওয়া থতমত মন লজ্জিত ঢোক গেলে। তাকালে যখন তোমার দু’চোখে সরাসরি সোজাসুজি বন্ধু তোমার বিন্দুমাত্র লজ্জা করেনি বুঝি। ...

মনে পড়া

মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু কখন খেলতে গিয়ে হঠাৎ অকারণে একটা কী সুর গুনগুনিয়ে কানে আমার বাজে, মায়ের কথা মিলায় যেন আমার খেলার মাঝে। মা বুঝি গান গাইত, আমার দোলনা ঠেলে ঠেলে; মা গিয়েছে, যেতে যেতে গানটি গেছে ফেলে। মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু যখন আশ্বিনেতে ভোরে শিউলিবনে শিশির-ভেজা হাওয়া বেয়ে ফুলের গন্ধ আসে, তখন কেন মায়ের কথা আমার মনে ভাসে? কবে বুঝি আনত মা সেই ফুলের সাজি বয়ে, পুজোর গন্ধ আসে যে তাই মায়ের গন্ধ হয়ে। মাকে আমার পড়ে না মনে। শুধু যখন বসি গিয়ে শোবার ঘরের কোণে; জানলা থেকে তাকাই দূরে নীল আকাশের দিকে মনে হয়, মা আমার পানে চাইছে অনিমিখে। কোলের 'পরে ধরে কবে দেখত আমায় চেয়ে, সেই চাউনি রেখে গেছে সারা আকাশ ছেয়ে।

ময়না ছলাৎ ছলাৎ

ময়না ছলাৎ ছলাৎ চলে রে পিছন পানে চায়না রে মন ধুকপুক ধুকপুক করে রে তোর লাগি উতলা রে শাল পিয়ালের বন থিক্যা ওই জংলা নদীর পাড়েতে তোর সঙ্গ লই ঘুরঘুর করুম এই বাসনা প্রানে ময়না ছলাৎ ছলাৎ... দূর-দূর তোর এই মনটা লইয়া যাবো বাগানটায় লাল হলুদ ফুল দিয়া মুই বাঁন্ধিবো খোপায় সাধের পিরতিমা কইর‌্যা রাখুম চোখের তারাটায় রানী হইয়া রইবি মোর এই হু-হু-হু-হু পরানটায় মন চায় তোরে রাখুম ধরে জাপট দিয়া, হায়, চাঁদ তারা তোর লাগি আনুম হুকুম তায় সাধের প্রতিমা কইর‌্যা রাখুম চোখের তারাটায় রানী হইয়া রইবি মোর এই হু-হু-হু-হু পরানটায় ময়না ছলাৎ ছলাৎ চলে রে পিছন পানে চায়না রে মন ধুকপুক ধুকপুক করে রে তোর লাগি উতলা রে শাল পিয়ালের বন থিক্যা ওই জংলা নদীর পাড়েতে তোর সঙ্গ লই ঘুরঘুর করুম এই বাসনা প্রানে ময়না ছলাৎ ছলাৎ...

মেঘের পরে মেঘ জমেছে

মেঘের পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে- আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। কাজের দিনে নানা কাজে থাকি নানা লোকের মাঝে, আজ আমি যে বসে আছি তোমারই আশ্বাসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। তুমি যদি না দেখা দাও কর আমায় হেলা, কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা। দূরের পানে মেলে আঁখি কেবল আমি চেয়ে থাকি, পরাণ আমার কেঁদে বেড়ায় দুরন্ত বাতাসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে।

মাঝি

আমার যেতে ইচ্ছে করে নদীটির ওই পারে— যেথায় ধারে ধারে বাঁশের খোঁটায় ডিঙি নৌকো বাঁধা সারে সারে। কৃষাণেরা পার হয়ে যায় লাঙল কাঁধে ফেলে; জাল টেনে নেয় জেলে, গোরু মহিষ সাঁৎরে নিয়ে যায় রাখালের ছেলে। সন্ধে হলে যেখান থেকে সবাই ফেরে ঘরে শুধু রাতদুপরে শেয়ালগুলো ডেকে ওঠে ঝাউডাঙাটার ‘পরে। মা, যদি হও রাজি, বড়ো হলে আমি হব খেয়াঘাটের মাঝি। শুনেছি ওর ভিতর দিকে আছে জলার মতো। বর্ষা হলে গত ঝাঁকে ঝাঁকে আসে সেথায় চখাচখী যত। তারি ধারে ঘন হয়ে জন্মেছে সব শর; মানিক - জোড়ের ঘর, কাদাখোঁচা পায়ের চিহ্ন আঁকে পাঁকের ‘পর। সন্ধ্যা হলে কত দিন মা, দাঁড়িয়ে ছাদের কোণে দেখেছি একমনে— চাঁদের আলো লুটিয়ে পড়ে সাদা কাশের বনে। মা, যদি হও রাজি, বড়ো হলে আমি হব খেয়াঘাটের মাঝি। এ - পার ও - পার দুই পারেতেই যাব নৌকো বেয়ে। যত ছেলেমেয়ে স্নানের ঘাটে থেকে আমায় দেখবে চেয়ে চেয়ে। সূর্য যখন উঠবে মাথায় অনেক বেলা হলে— আসব তখন চলে ‘বড়ো খিদে পেয়েছে গো— খেতে দাও মা' বলে। আবার আমি আসব ফিরে আঁধার হলে সাঁঝে তোমার ঘরের মাঝে। বাবার মতো যাব না মা, বিদেশে কোন্‌ কাজে। মা, যদ...