বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাব বেণীমাধব তুমি কি আর আমার কথা ভাব ? বেণীমাধব মোহন বাঁশি তমাল তরু মূলে বাজিয়েছিলে, আমি তখন মালতী স্কুলে। ডেস্কে বসে অঙ্ক করি, ছোট্ট ক্লাস ঘর বাইরে দিদিমণির পাশে দিদিমণির বর। আমি তখন নবম শ্রেণি, আমি তখন শাড়ি, আলাপ হলো, বেণীমাধব, সুলেখাদের বাড়ি। বেণীমাধব, বেণীমাধব, লেখাপড়ায় ভাল শহর থেকে বেড়াতে এলে, আমার রঙ কালো। তোমায় দেখে একদৌড়ে পালিয়ে গেছি ঘরে বেণীমাধব, আমার বাবা দোকানে কাজ করে। কুঞ্জে অলি গুঞ্জে তবু ফুটেছে মঞ্জরী সন্ধ্যা বেলা পড়তে বসে অঙ্কে ভুল করি। আমি তখন নবম শ্রেণি, আমি তখন ষোলো ব্রিজের ধারে, বেণীমাধব, লুকিয়ে দেখা হলো। বেণীমাধব, বেণীমাধব, এতদিনের পরে সত্যি বল সেসব কথা এখনও মনে পড়ে? সেসব কথা বলেছ তুমি তোমার প্রেমিকাকে? আমি কেবল একটিদিন তোমার পাশে তাকে, দেখেছিলাম আলোর নীচে, অপূর্ব সে আলো। স্বীকার করি দুজনকেই মানিয়েছিল ভালো। জুড়িয়ে দিল চোখ আমার, পুড়িয়ে দিল চোখ বাড়িতে এসে বলেছিলাম – ওদের ভালো হোক। রাতে এখন ঘুমোতে যাই – একতলার ঘরে মেঝের ’পরে বিছানা পাতা, জোৎস্না এসে পড়ে। আমার পরে যে বোন ছিল, চোরাপথের বাঁক...
Living too much by my own little life bus.